সৃজনী মুখার্জীর অনুগল্প ‘সব চরিত্র কাল্পনিক’

সৃজনী মুখার্জী

সিগন্যালটা লাল হতেই মানুষের দঙ্গল টার সাথে একজন বৃদ্ধাও রাস্তা পার হচ্ছেন বয়সের ভারে ঈষৎ ন্যুব্জ ; দেখতে পাচ্ছেন ? আপনার অন্যতম প্রিয় কবিতার সত্বা চিনতে পারছেন ওঁকে ?

             পাখির নীড়ের মতো চোখে হাই পাওয়ারের চশমা ; তাও বহুদিন পরীক্ষা করানো হয় নি , অভাবের সংসারে আবার উপরি খরচ l সামনের সব ই খানিকটা ঝাপসা l তাই তো দিকভ্রান্ত নাবিকের কাছে দারুচিনি দ্বীপের বার্তা বহন করেননা বরং হঠাৎ সামনে চলে গিয়ে বাইক আরোহীর বিড়ম্বনা সৃষ্টি করেন l তিনি কোথায় থাকেন , কি করেন আর এই গরমে অতো বড় ব্যাগ নিয়ে কোথায় যান কিছুই জানিনা আমি l তবু বেশ কয়েকদিনের পর্যবেক্ষণে বুঝেছি পথিকের তাচ্ছিল্য , বাইক আরোহীর ভৎর্সনায় বেশ অভ্যস্ত তিনি l প্রাকৃতিক নিয়মে ভেঙেছে চেহারা ; হয়ত সামাজিক নিয়মে বদলেছে পদবীও l অন্ধকার বিদিশার মতো চুলে পাক ধরেছে আর মুখের শ্রাবস্তীর কারুকার্য চেহারা নিয়েছে বলিরেখার l এতগুলো শীত-গ্রীষ্ম পেরিয়ে এসে নতুন জীবনে অভ্যস্ত তিনি ; কোটরাগত চোখে খুঁজে নেন আগামী গন্তব্য l শুধু কখনও কোনো বাড়ির খোলা জানালা দিয়ে যখন ভেসে আসে কণ্ঠস্বর "আমারে দু দণ্ড শান্তি দিয়েছিলো ......" ঠোঁটের কোনায় ম্লান হাসি ফুটে ওঠে কি ? জানিনা আমি l শুধু এটুকু জানি , বাসে , ট্রেনে , ট্রামে , রাস্তায় ভাবলেশহীন মুখে গন্তব্যে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন তিনি l না , ভুল বললাম ; এতবছরে একটি অভ্যাস রপ্ত করতে পারেননি l

     আজ ও ট্রামে চড়তে ভয় পান বনলতা .......

 

সিগন্যালটা লাল হতেই মানুষের দঙ্গল টার সাথে একজন বৃদ্ধাও রাস্তা পার হচ্ছেন বয়সের ভারে ঈষৎ ন্যুব্জ ; দেখতে পাচ্ছেন ? আপনার অন্যতম প্রিয় কবিতার সত্বা চিনতে পারছেন ওঁকে ?

             পাখির নীড়ের মতো চোখে হাই পাওয়ারের চশমা ; তাও বহুদিন পরীক্ষা করানো হয় নি , অভাবের সংসারে আবার উপরি খরচ l সামনের সব ই খানিকটা ঝাপসা l তাই তো দিকভ্রান্ত নাবিকের কাছে দারুচিনি দ্বীপের বার্তা বহন করেননা বরং হঠাৎ সামনে চলে গিয়ে বাইক আরোহীর বিড়ম্বনা সৃষ্টি করেন l তিনি কোথায় থাকেন , কি করেন আর এই গরমে অতো বড় ব্যাগ নিয়ে কোথায় যান কিছুই জানিনা আমি l তবু বেশ কয়েকদিনের পর্যবেক্ষণে বুঝেছি পথিকের তাচ্ছিল্য , বাইক আরোহীর ভৎর্সনায় বেশ অভ্যস্ত তিনি l প্রাকৃতিক নিয়মে ভেঙেছে চেহারা ; হয়ত সামাজিক নিয়মে বদলেছে পদবীও l অন্ধকার বিদিশার মতো চুলে পাক ধরেছে আর মুখের শ্রাবস্তীর কারুকার্য চেহারা নিয়েছে বলিরেখার l এতগুলো শীত-গ্রীষ্ম পেরিয়ে এসে নতুন জীবনে অভ্যস্ত তিনি ; কোটরাগত চোখে খুঁজে নেন আগামী গন্তব্য l শুধু কখনও কোনো বাড়ির খোলা জানালা দিয়ে যখন ভেসে আসে কণ্ঠস্বর "আমারে দু দণ্ড শান্তি দিয়েছিলো ......" ঠোঁটের কোনায় ম্লান হাসি ফুটে ওঠে কি ? জানিনা আমি l শুধু এটুকু জানি , বাসে , ট্রেনে , ট্রামে , রাস্তায় ভাবলেশহীন মুখে গন্তব্যে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন তিনি l না , ভুল বললাম ; এতবছরে একটি অভ্যাস রপ্ত করতে পারেননি l

     আজ ও ট্রামে চড়তে ভয় পান বনলতা .......

 

সিগন্যালটা লাল হতেই মানুষের দঙ্গল টার সাথে একজন বৃদ্ধাও রাস্তা পার হচ্ছেন বয়সের ভারে ঈষৎ ন্যুব্জ ; দেখতে পাচ্ছেন ? আপনার অন্যতম প্রিয় কবিতার সত্বা চিনতে পারছেন ওঁকে ?

             পাখির নীড়ের মতো চোখে হাই পাওয়ারের চশমা ; তাও বহুদিন পরীক্ষা করানো হয় নি , অভাবের সংসারে আবার উপরি খরচ l সামনের সব ই খানিকটা ঝাপসা l তাই তো দিকভ্রান্ত নাবিকের কাছে দারুচিনি দ্বীপের বার্তা বহন করেননা বরং হঠাৎ সামনে চলে গিয়ে বাইক আরোহীর বিড়ম্বনা সৃষ্টি করেন l তিনি কোথায় থাকেন , কি করেন আর এই গরমে অতো বড় ব্যাগ নিয়ে কোথায় যান কিছুই জানিনা আমি l তবু বেশ কয়েকদিনের পর্যবেক্ষণে বুঝেছি পথিকের তাচ্ছিল্য , বাইক আরোহীর ভৎর্সনায় বেশ অভ্যস্ত তিনি l প্রাকৃতিক নিয়মে ভেঙেছে চেহারা ; হয়ত সামাজিক নিয়মে বদলেছে পদবীও l অন্ধকার বিদিশার মতো চুলে পাক ধরেছে আর মুখের শ্রাবস্তীর কারুকার্য চেহারা নিয়েছে বলিরেখার l এতগুলো শীত-গ্রীষ্ম পেরিয়ে এসে নতুন জীবনে অভ্যস্ত তিনি ; কোটরাগত চোখে খুঁজে নেন আগামী গন্তব্য l শুধু কখনও কোনো বাড়ির খোলা জানালা দিয়ে যখন ভেসে আসে কণ্ঠস্বর "আমারে দু দণ্ড শান্তি দিয়েছিলো ......" ঠোঁটের কোনায় ম্লান হাসি ফুটে ওঠে কি ? জানিনা আমি l শুধু এটুকু জানি , বাসে , ট্রেনে , ট্রামে , রাস্তায় ভাবলেশহীন মুখে গন্তব্যে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন তিনি l না , ভুল বললাম ; এতবছরে একটি অভ্যাস রপ্ত করতে পারেননি l

     আজ ও ট্রামে চড়তে ভয় পান বনলতা .......

 

সিগন্যালটা লাল হতেই মানুষের দঙ্গল টার সাথে একজন বৃদ্ধাও রাস্তা পার হচ্ছেন বয়সের ভারে ঈষৎ ন্যুব্জ ; দেখতে পাচ্ছেন ? আপনার অন্যতম প্রিয় কবিতার সত্বা চিনতে পারছেন ওঁকে ?

             পাখির নীড়ের মতো চোখে হাই পাওয়ারের চশমা ; তাও বহুদিন পরীক্ষা করানো হয় নি , অভাবের সংসারে আবার উপরি খরচ l সামনের সব ই খানিকটা ঝাপসা l তাই তো দিকভ্রান্ত নাবিকের কাছে দারুচিনি দ্বীপের বার্তা বহন করেননা বরং হঠাৎ সামনে চলে গিয়ে বাইক আরোহীর বিড়ম্বনা সৃষ্টি করেন l তিনি কোথায় থাকেন , কি করেন আর এই গরমে অতো বড় ব্যাগ নিয়ে কোথায় যান কিছুই জানিনা আমি l তবু বেশ কয়েকদিনের পর্যবেক্ষণে বুঝেছি পথিকের তাচ্ছিল্য , বাইক আরোহীর ভৎর্সনায় বেশ অভ্যস্ত তিনি l প্রাকৃতিক নিয়মে ভেঙেছে চেহারা ; হয়ত সামাজিক নিয়মে বদলেছে পদবীও l অন্ধকার বিদিশার মতো চুলে পাক ধরেছে আর মুখের শ্রাবস্তীর কারুকার্য চেহারা নিয়েছে বলিরেখার l এতগুলো শীত-গ্রীষ্ম পেরিয়ে এসে নতুন জীবনে অভ্যস্ত তিনি ; কোটরাগত চোখে খুঁজে নেন আগামী গন্তব্য l শুধু কখনও কোনো বাড়ির খোলা জানালা দিয়ে যখন ভেসে আসে কণ্ঠস্বর "আমারে দু দণ্ড শান্তি দিয়েছিলো ......" ঠোঁটের কোনায় ম্লান হাসি ফুটে ওঠে কি ? জানিনা আমি l শুধু এটুকু জানি , বাসে , ট্রেনে , ট্রামে , রাস্তায় ভাবলেশহীন মুখে গন্তব্যে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন তিনি l না , ভুল বললাম ; এতবছরে একটি অভ্যাস রপ্ত করতে পারেননি l

     আজ ও ট্রামে চড়তে ভয় পান বনলতা .......

 

v

You may also like...

Leave a Reply