অঙ্কিতা ব্যানার্জীর কবিতা ‘অভিমানী প্রেম’

এ বসন্তদিনে প্রেমপদ‍্যই মানায় আমি নাহয় আজ বিরহী দুচোখ মেলে বলি ফাগুন, কষ্টও পেতে হয়! প্রেম ছেড়ে যাক ,জলে ভরে

বর্ণালী চন্দের দুটি কবিতা

প্রথম কবিতা গভীর হয় রাত যন্ত্রণারা মনকে ক্ষতবিক্ষত করে হিংস্র হায়নার মতো। পূর্ণিমার চাঁদ পোড়ায় শরীর চিতার আগুনের মতো। দ্বিতীয়

মৌমিতা গুঁইর কবিতা ‘প্রার্থনা’

পঞ্চ স্বামীর সোহাগে, বংশ ধ্বংসের অভিশাপ কুড়িয়ে সন্তান হারালো যে মা, স্বভাবসুলভ হিংসায় মুখ বেঁকিয়ে মেপে নিচ্ছিলাম তার কৃষ্ণের মত

শেলী নন্দীর কবিতা ‘মন্দ হলে ‘

অবুঝ মনের অবাধ্যতায় ডাক পড়ে সর্বনাশী খেলার। গোপন থেকে সঙ্গোপনে কুড়িয়ে রাখি ইচ্ছে পালক। মন্দ হওয়ার বেপরোয়া শক্তিতে পরাজিত হয়

মৌমিতা গুঁইর কবিতা ‘নীলস্বপ্ন’

আমার দুঃখের সূর্য ঝলমল করে আকাশে রাতের তারারা মিটিমিটি চায় ভাবসম্প্রসারণের চাঁদ হোক যতই ঝলসানো রুটি, রুটিতে যে বড্ড অরুচি।

সৌমেন দত্তর কবিতা ‘পরিণীতা’,

প্রহর গুলো অরুণা জালে ঘিরেছে, অভ্যাসের চিলেকোঠার বদ্ধতা থেকে, তোমার টানে কিনারাহীন কিনারায় পদার্পন। রজনীগন্ধা নেই,বকুল গাছও নেই, তবুও ঘরছাড়া