সুচেতনা গুপ্তর অনুগল্প ‘বুরা না মানো, আজ হোলি হ্যায়’

হোলি হ্যায়! উফ, আবার শুরু হলো। সবে সকাল দশটা। এর মধ্যেই গোটা কমপ্লেক্স জুড়ে লোকে লোকারণ্য। সুতপার কাছে এই দিনটা

দোলা সেনের গল্প ‘বসন্ত –রাগ’

শনির রাতে দমকা ঝড় উঠল। হালকা, খুব হালকা ধারাপাত। তাতেই রবিবারের সকালটায় বেশ শিরশিরে আমেজ। ছটার সময় নিত্যকার প্রাতঃভ্রমণে যাই

পিউ দাশের গল্প ‘প্রেম’

“হোলি হ্যায়!” দূর থেকে ভেসে আসে কাদের যেন চিৎকার। সেই শব্দকে ছাপিয়ে ওঠে ধ্রুবর গলা। “অসম্ভব!” চেঁচিয়ে ওঠে ধ্রুব। “অসম্ভব!”

বর্ণালী চন্দের দুটি কবিতা

প্রথম কবিতা গভীর হয় রাত যন্ত্রণারা মনকে ক্ষতবিক্ষত করে হিংস্র হায়নার মতো। পূর্ণিমার চাঁদ পোড়ায় শরীর চিতার আগুনের মতো। দ্বিতীয়

দেবারতী পাঠক চ্যাটার্জীর গল্প “এক বৈশাখে দেখা হল দুজনায়…”

এই সুন্দর স্বর্নালী সন্ধায়…. একটানা গানের আওয়াজ ভেসে আসছে পাশের বাড়ি থেকে।   মল্লিকা দি গান গাইছে। খুব সুন্দর গান

ময়ূরী পাঁজার গল্প ‘বৈশাখী উপহার’

সুবর্ণপ্রভা দেবী বসে আছেন পালঙ্কের চূড়োর গায়ে হেলান দিয়ে , কোলে একটা অ্যালবাম। যে পালঙ্কে হেলান দিয়ে আছেন,  অনেক বড়,

মৌমিতা গুঁইর কবিতা ‘প্রার্থনা’

পঞ্চ স্বামীর সোহাগে, বংশ ধ্বংসের অভিশাপ কুড়িয়ে সন্তান হারালো যে মা, স্বভাবসুলভ হিংসায় মুখ বেঁকিয়ে মেপে নিচ্ছিলাম তার কৃষ্ণের মত

ইন্দ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যঙ্গ ‘স্বচ্ছ ভারত’

মাইরি বলছি। এমন তাজ্জব কথা শালা বাপের জন্মে শুনিনি। হলফ করে কইতে পারি, আপনারাও শোনেননি। তবে সে নিয়ে মাথাব্যথার প্রয়োজন

দিল্লিতে বাংলা বইয়ের মেলা

বর্ণালী চন্দ দিল্লি বেঙ্গল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজিত বইমেলাটি এবারে ষোড়শী হলেন । চারিদিকে শুধু বাংলাবই দেখা আর পছন্দসই বই কেনা,এযেন এক